ছাত্রবিক্ষোভে পুলিশের ‘দমনপীড়ন’ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে স্টান গ্রেনেডের ব্যবহার আপাতত বন্ধ করেছে ফ্রান্স। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ পুলিশের জন্য এ বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছেন।
সম্প্রতি ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের সময় এক কিশোরের হাত উড়ে যাওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্টান গ্রেনেডের আঘাতেই ওই কিশোর আহত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা সরব হন।
ফ্রান্সের স্কুলগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন দাবিতে গত দুই সপ্তাহ ধরে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে আসছেন। আন্দোলনের জেরে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ৫০০টিরও বেশি স্কুল বন্ধ রাখতে হয়েছে। বৃহস্পতিবারও শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের সংগঠনগুলো বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি নিয়ে সরকার আলোচনায় বসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়ান লেকর্নু। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, স্কুল ভবন সংস্কার ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগসহ শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করবে সরকার। অক্টোবরের শেষ দিকে এ বিষয়ে সরকারের প্রস্তাব জানানো হতে পারে বলেও জানান তিনি।
লেকর্নু বলেন, অতীতে দেওয়া অনেক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এবার সরকার এমন একটি সমাধান চায়, যা সুনির্দিষ্ট, দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ কমেনি। তাঁদের দাবি, সরকারের প্রতিশ্রুতির পরিবর্তে তারা বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে চান। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রের সঙ্গেও শিক্ষার্থীদের আলোচনা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপের আশ্বাস না পাওয়ায় ক্ষোভ আরও বাড়ে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার ফ্রান্সের অধিকাংশ বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। তবে প্যারিসের সায়েন্সেস পো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন ও বিরোধী নেতারা সমালোচনা করেছেন।
এদিকে স্টান গ্রেনেড ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ বলেন, সংঘর্ষে কিশোরের হাত উড়ে যাওয়ার ঘটনায় আসলে কী ঘটেছিল তা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে এ ধরনের সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে না।
শিক্ষামন্ত্রী জেফ্রি জানিয়েছেন, আন্দোলনের সময় বেশ কয়েকটি স্কুলে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অন্তত ২৪টি হাই স্কুল এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো আরও কয়েক সপ্তাহ বন্ধ রাখতে হবে।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএম টিভির এক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশটির ৭২ শতাংশ নাগরিক শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোকে যুক্তিসংগত বলে মনে করেন। ফলে আগামী নির্বাচনের আগে এই ছাত্রবিক্ষোভ ফরাসি সরকারের জন্য নতুন করে রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।
সম্প্রতি ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের সময় এক কিশোরের হাত উড়ে যাওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্টান গ্রেনেডের আঘাতেই ওই কিশোর আহত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা সরব হন।
ফ্রান্সের স্কুলগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন দাবিতে গত দুই সপ্তাহ ধরে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে আসছেন। আন্দোলনের জেরে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ৫০০টিরও বেশি স্কুল বন্ধ রাখতে হয়েছে। বৃহস্পতিবারও শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের সংগঠনগুলো বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি নিয়ে সরকার আলোচনায় বসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়ান লেকর্নু। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, স্কুল ভবন সংস্কার ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগসহ শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করবে সরকার। অক্টোবরের শেষ দিকে এ বিষয়ে সরকারের প্রস্তাব জানানো হতে পারে বলেও জানান তিনি।
লেকর্নু বলেন, অতীতে দেওয়া অনেক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এবার সরকার এমন একটি সমাধান চায়, যা সুনির্দিষ্ট, দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ কমেনি। তাঁদের দাবি, সরকারের প্রতিশ্রুতির পরিবর্তে তারা বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে চান। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রের সঙ্গেও শিক্ষার্থীদের আলোচনা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপের আশ্বাস না পাওয়ায় ক্ষোভ আরও বাড়ে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার ফ্রান্সের অধিকাংশ বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। তবে প্যারিসের সায়েন্সেস পো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন ও বিরোধী নেতারা সমালোচনা করেছেন।
এদিকে স্টান গ্রেনেড ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ বলেন, সংঘর্ষে কিশোরের হাত উড়ে যাওয়ার ঘটনায় আসলে কী ঘটেছিল তা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে এ ধরনের সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে না।
শিক্ষামন্ত্রী জেফ্রি জানিয়েছেন, আন্দোলনের সময় বেশ কয়েকটি স্কুলে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অন্তত ২৪টি হাই স্কুল এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো আরও কয়েক সপ্তাহ বন্ধ রাখতে হবে।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএম টিভির এক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশটির ৭২ শতাংশ নাগরিক শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোকে যুক্তিসংগত বলে মনে করেন। ফলে আগামী নির্বাচনের আগে এই ছাত্রবিক্ষোভ ফরাসি সরকারের জন্য নতুন করে রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক